সংবাদ শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করলেন মার্কিন কাউন্টার-টেরোরিজম প্রধান জো কেন্ট খাল-নদী ও বিল দখলকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত কমিটিকে দায়িত্ব হস্তান্তর।। সভাপতি দানা, সম্পাদক সাহেদ ও যুগ্মসম্পাদক মোফাজ্জল কসবায় ইফতার মাহফিলে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ।। ইফতার অনুষ্ঠান পন্ড মার্কিন যুদ্ধবিমান ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের খামেনিকে হত্যা: মোসাদ-সিআইএ’র বহু বছরের গোপন মিশন বিজয়নগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন দুই ভাই ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। অগ্রিম টিকিট বিক্রি ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী
গুনীজন সংবর্ধনা (মরনোত্তর) পেলেন সাংবাদিক ও গবেষক রেজাউল করিম

গুনীজন সংবর্ধনা (মরনোত্তর) পেলেন সাংবাদিক ও গবেষক রেজাউল করিম

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
কবি ও কবিতা বিষয়ক সংগঠন কবির কলমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গুণিজন সংবর্ধনা মরনোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্ব প্রথম সংবাদপত্র সাপ্তাহিক তিতাস পত্রিকার সম্পাদক, লেখক, গবেষক রেজাউল করিম। গতকাল শুক্রবার সকালে বিকেল চারটায় শহরের নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভা কক্ষে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গুণিজন সংবর্ধনা দেয় কবির কলম সংগঠন।
এ সময় রেজাউল করিমের গুণীজন সংবর্ধনা (মরনোত্তর) সম্মাননাটি গ্রহন করেছেন ওনার বড় ছেলে, দৈনিক বাংলা ও নিউজ বাংলার জেলা প্রতিনিধি মাজহারুল করিম অভি।
এ সময় সম্মাননাটি হাতে তুলে দেন অনুষ্ঠােনের প্রধান অতিথি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি লেখক ও সাংবাদিক কবি জয়দুল হোসেন।
রেজাউল করিম ১৯৬৬ সালে আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। লেখাপড়া শেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকতা শুরু করেন সাপ্তাহিক সাকিয়াত পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হিসেবে। পরে তিনি সহ-সম্পাদক হিসেবে সাপ্তাহিক সংকেত ও ২০০৯ সালে সাপ্তাহিক তিতাস পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তারপর তিনি ২০১৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মনীষিদের নিয়ে লেখা “যাদের জন্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ধন্য” বইটি প্রকাশ করেন। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই “ভাষা আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া” ও কবি নজরুল ইসলাকে নিয়ে “জাতীয় কবির মর্মকাহন” নামের গবেষনা বিষয়ক গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। তিনি চলতি বছরের গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এদিকে লেখক হিসেবে গুণীজন সংবর্ধনা (মরনোত্তর) পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক খান ও মিলি চৌধুরী।
এছাড়াও গুণিজন সংবর্ধনা পেয়েছেন সুমিতা বর্ধন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুজ্জামান, মোবারক হোসেন, মোঃ নুরুল হক, আবু আহাম্মদ মৃধা, রুদ্র মোহাম্মদ ইদ্রিস।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কবির কলম সংগঠনের সভাপতি মনিরুল ইসলাম শ্রাবণের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও কথা সাহিত্যিক আমির হোসেন, বাচিক শিল্পী ও সাংবাদিক মোঃ মনির হোসেন, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com